তুরস্ক সতর্কবার্তা দিলো গাজা ও ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে
তুরস্ক সতর্কবার্তা দিলো গাজা ও ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে
ইউক্রেন ও গাজার সশস্ত্র সংঘাত থেকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক যুদ্ধ বেধে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করেছে তুরস্ক।চলমান সংঘাত আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। একে প্রতিরোধ করতে সবার এগিয়ে আসা উচিত এবং সাহায্য করা উচিত।লিপাভেস্কির সঙ্গে গাজা যুদ্ধ নিয়ে আলোচনার কথা উল্লেখ করে ফিদান আরও বলেন, ‘ইসরাইল আক্ষরিক অর্থে গাজায় জাতিগত নিধন চালাচ্ছে এবং প্রতিদিনই নতুন নতুন যুদ্ধাপরাধ করছে।’
ইসরাইলের নিজেদের এলাকা সম্প্রসারণের জন্য দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনিদের জমি চুরির বিষয় নিয়ে আমরা নীরব ছিলাম না, আর থাকবোও না।’
এরদোয়ান এ কথা বলেন।গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য তুরস্ক যেকোনো পদক্ষেপকে সমর্থন করে বলেও জানান তিনি। দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানে আঙ্কারার সমর্থনের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন ফিদান।
ভারতীয়রা তাদের দেশে ৫০ দশমিক ৬০ মিলিয়ন ডলার নিয়ে গেছেন বাংলাদেশ থেকে।

ভারতীয়রা বাংলাদেশ থেকে ১০ মাসে নিয়ে গেছে
৫০.৬০ মিলিয়ন ডলার!

হামাস ও ইজরায়েল যুদ্ধবিরতির চুক্তি /Hamas Israel
হামাস ও ইজরায়েল যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে সম্মত।
২৩ জুন রাতে আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
নেতানিয়াহু বলেন, হামাসের সঙ্গে ‘আংশিক’ যুদ্ধবিরতি চুক্তির জন্য ইসরায়েল প্রস্তুত। হামাস সব পণবন্দিকে মুক্তি না দিলেও কিছুসংখ্যক পণবন্দির মুক্তির বিনিময়ে হলেও তেল আবিব গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি করতে আগ্রহী।
তবে, হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অবসান ঘটাবে এমন কোনো চুক্তিতে রাজি নন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের পণবন্দি প্রত্যাবর্তন চুক্তি হলে গাজায় যুদ্ধ বন্ধের পথ তৈরি হবে।
হিজাব নিষিদ্ধ করলো মুসলিমপ্রধান দেশ তাজিকিস্তান!
হিজাব নিষিদ্ধ করলো --
মুসলিমপ্রধান দেশ তাজিকিস্তান!
মসলিশি মিলির প্রেস সেন্টার থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, হিজাব পরিধানের সংস্কৃতি মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি হয়েছে। এটি তাজিকিস্তানের নিজস্ব সংস্কৃতি নয়, এর সঙ্গে কট্টরপন্থার সম্পর্ক রয়েছে। এই আইন অমান্য করলে আর্থিক জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে আইনটিতে।
২০০৭ সাল থেকে হিজাব, ইসলামি ও পশ্চিমা পোশাকের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযান শুরু হয় তাজিকিস্তানে। ওই বছর তাজিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষার্থীদের জন্য ইসলামিক পোশাক এবং পশ্চিমা ধাঁচের মিনিস্কার্ট উভয়ই নিষিদ্ধ করে। পরে সমস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানে এটি কার্যকর করা হয়। এর পরের বছরগুলোতে হিজাবের ওপর একপ্রকার অলিখিত নিষেধাজ্ঞা কাজ করছিল দেশটিতে। স্থানীয় প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ এই নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে তৃণমূল পর্যায়ে কমিটি পর্যন্ত করেছিলেন।


