ইসরায়েলের ইন্ধনে খুব দ্রুতই হামাসের টুঁটি চেপে ধরতে চাইছে আরব দেশগুলো
ইসরায়েলের ইন্ধনে খুব দ্রুতই হামাসের টুঁটি চেপে ধরতে চাইছে আরব দেশগুলো
ইসরায়েলের চাপে হামাসের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হামাস আইএস–ঘনিষ্ঠ কিছু গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরই তিনি সংগঠনটির বিরুদ্ধে পালটা হত্যার হুমকি দেন। অথচ মাত্র দুই দিন আগেই ট্রাম্প বলেছিলেন, হামাস ‘অত্যন্ত খারাপ কিছু গ্যাংকে নির্মূল করেছে’ এতে তারা ভালোই করছে।
এদিকে ইসরায়েল হায়োম জানিয়েছে, সৌদি আরব, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ট্রাম্প প্রশাসনকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছে—হামাসকে নিরস্ত্র করার চুক্তি বাস্তবায়িত না হলে তারা সমর্থন প্রত্যাহার করবে। অর্থাৎ না থাকবে অর্থায়ন, না থাকবে কোনো রাজনৈতিক অংশগ্রহণ।
এই অবস্থায়, ইসরায়েলের ইন্ধনে দ্রুতই হামাসকে দমন করতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র ও এর মিত্র আরব দেশগুলো।
বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের ১৭% সরবরাহ করছে রাশিয়া।
বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের ১৭% সরবরাহ করছে রাশিয়া।
রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক দাবী করেন,
রাশিয়া বর্তমানে বিশ্বের মোট জ্বালানি বাজারের প্রায় ১৭% সরবরাহ করছে। এর মধ্যে রয়েছে তেল, গ্যাস, কয়লা ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য।
তিনি বলেন,
রাশিয়া এখনো বৈশ্বিক জ্বালানি খাতে একটি শীর্ষস্থানীয় দেশ এবং কয়লার চাহিদাও এখনো শক্ত অবস্থানে রয়েছে।
হামাসকে পরাজিত" করার জন্য একটি পরিকল্পনা প্রস্তুত করতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ।
যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে গাজায় "হামাসকে পরাজিত" করার জন্য একটি পরিকল্পনা প্রস্তুত করতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ।
সূত্র: রয়টার্স
[mh]
২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রাম্প
ট্রাম্প ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
তিনি দাবি করন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলা সাম্প্রতিক উত্তেজনা তিনি মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমাধান করেছেন।
ট্রাম্প আরও বলেন,
তার নেওয়া ট্যারিফের কারণে যুদ্ধ সমাধান সম্ভব হয়েছে।
(
এরদোয়ানের চাপেই মিশর যেতে পারলোনা নেতানিয়াহু?
এরদোয়ানের চাপেই মিশর যেতে পারলোনা নেতানিয়াহু?
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেজেপ তাইয়েপ এরদোয়ান মিশরের শারম আল-শেখ সম্মেলনে অবতরণ করতে অস্বীকৃতি জানান, যখন জানা যায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সেখানে উপস্থিত থাকবে।
তুর্কি সংবাদমাধ্যম গুন্দেম ও সিএনএন তুর্ক-এর বরাতে জানা গেছে, এরদোয়ানের বিমান লোহিত সাগরের আকাশে কিছুক্ষণ চক্কর দেয় এবং কেবল তখনই অবতরণ করে, যখন নেতানিয়াহুর অংশগ্রহণ বাতিল করা হয়।
সূত্রগুলো বলছে, এরদোয়ান আগেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন—নেতানিয়াহু উপস্থিত থাকলে তিনি কোনো সম্মেলনে যোগ দেবেন না।
সোর্স: সিএনএন তুর্ক
সুয়াইদার ইসরায়েল সমর্থিত হিকমত আল-হিজরির স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণার দাবি
সুয়াইদার ইসরায়েল সমর্থিত হিকমত আল-হিজরির স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণার দাবি
সিরিয়ার সুয়াইদা প্রদেশে অবস্থানরত ইসরায়েল সমর্থিত হিকমত আল-হিজরি এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন যে, সুইদাকে সিরিয়া থেকে আলাদা করে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে গঠন করতে হবে।
তার এই প্রস্তাবের সঙ্গে তিনি আরও দাবি করেছেন, এই নতুন রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে ফিলিস্তিনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জর্ডানের ইরবিদ গভর্নরেট অঞ্চল, যার জনসংখ্যা প্রায় ৩০ লাখ। তবে এই এলাকায় কোনও দ্রুজ সম্প্রদায় নেই, এবং জনসংখ্যার প্রায় পুরো অংশই সুন্নি মুসলমান।
হিজরি তার প্রস্তাবিত রাষ্ট্রের নাম রেখেছেন “বাশান” (Bashan) — যা একটি ইহুদি নাম, এবং একই সঙ্গে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর একটি সামরিক অভিযানের নামও।
রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক সহযোগিতায় জড়িত ছিল জার্মানি — তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক সহযোগিতায় জড়িত ছিল জার্মানি — তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
জার্মান সংবাদমাধ্যম ডের স্পিগেল–এর একটি বড় অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে, সাবেক চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সরকার ২০১৪ সালে রাশিয়ার ক্রিমিয়া দখলের আগ পর্যন্ত মস্কোর সঙ্গে ব্যাপক পরিমাণে সামরিক সহযোগিতা চালিয়ে যাচ্ছিল।
তদন্তে জানা যায়,
—রুশ সেনা কর্মকর্তারা জার্মানির আল্টমার্ক যুদ্ধ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে উন্নত Rheinmetall প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছিল।
—জার্মানি প্রায় ১ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের একটি চুক্তিতে রাশিয়ার ভেতরে একই ধরনের সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন দেয়, যা কেবল ক্রিমিয়া দখলের পরই স্থগিত করা হয়।
এই সহযোগিতা ২০১১ সালে শুরু হয়েছিল এবং এতে কৌশলগত প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ডের স্পিগেলের তথ্যমতে, এটি ছিল এক ধরনের “রাজনৈতিকভাবে উৎসাহিত” প্রকল্প, যার লক্ষ্য ছিল রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।
তবে ২০১৪ সালে রাশিয়ার ক্রিমিয়া দখলের পর ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে এই সহযোগিতা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
