রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক সহযোগিতায় জড়িত ছিল জার্মানি — তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক সহযোগিতায় জড়িত ছিল জার্মানি — তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
জার্মান সংবাদমাধ্যম ডের স্পিগেল–এর একটি বড় অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে, সাবেক চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সরকার ২০১৪ সালে রাশিয়ার ক্রিমিয়া দখলের আগ পর্যন্ত মস্কোর সঙ্গে ব্যাপক পরিমাণে সামরিক সহযোগিতা চালিয়ে যাচ্ছিল।
তদন্তে জানা যায়,
—রুশ সেনা কর্মকর্তারা জার্মানির আল্টমার্ক যুদ্ধ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে উন্নত Rheinmetall প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছিল।
—জার্মানি প্রায় ১ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের একটি চুক্তিতে রাশিয়ার ভেতরে একই ধরনের সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন দেয়, যা কেবল ক্রিমিয়া দখলের পরই স্থগিত করা হয়।
এই সহযোগিতা ২০১১ সালে শুরু হয়েছিল এবং এতে কৌশলগত প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ডের স্পিগেলের তথ্যমতে, এটি ছিল এক ধরনের “রাজনৈতিকভাবে উৎসাহিত” প্রকল্প, যার লক্ষ্য ছিল রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।
তবে ২০১৪ সালে রাশিয়ার ক্রিমিয়া দখলের পর ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে এই সহযোগিতা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
গাজার হতভাগ্য শিশুদের পরিসংখ্যান
গাজার হতভাগ্য শিশুদের পরিসংখ্যান
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে শুরুর দিক পর্যন্ত ২,৫৯৬ শিশু উভয় অভিভাবককে হারিয়েছে।
আরও ৫৩,৭২৪ শিশু একজন অভিভাবককে হারিয়েছে, যার মধ্যে ৪৭,৮০৪ জন পিতৃহীন এবং ৫,৯২০ জন মাতৃহীন শিশু।
এদের মধ্যে আহতজনিত কারণে মৃত্যুর ফলে এতিম হওয়া শিশুর সঠিক সংখ্যা এখনও জানা যায়নি।
‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাজা এখন আধুনিক যুদ্ধের ইতিহাসে সর্বোচ্চ হারে শিশু অঙ্গচ্ছেদের অঞ্চল হয়ে উঠেছে।
#creativef24
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কাতারের বিমান ঘাঁটি স্থাপন, ১০ বছরের চুক্তি স্বাক্ষর
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কাতারের বিমান ঘাঁটি স্থাপন, ১০ বছরের চুক্তি স্বাক্ষর
কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার আওতায় কাতার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইডাহো অঙ্গরাজ্যের মাউন্টেন হোম এয়ার বেসে (Mountain Home Air Base) নিজস্ব বিমান ঘাঁটি ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরি করবে।
এই ঘাঁটিতে কাতারের F-15 যুদ্ধবিমানগুলো অবস্থান করবে এবং কাতারি পাইলটদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
চুক্তিটি ১০ বছরের জন্য কার্যকর, এবং কাতার ঘাঁটির নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার সমস্ত খরচ বহন করবে।
এতে অবশ্য শত শত মার্কিন নাগরিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: Axios
উত্তর কোরিয়ার নতুন মহাশক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র উন্মোচন
উত্তর কোরিয়ার নতুন মহাশক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র উন্মোচন
উত্তর কোরিয়া তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র হিসেবে পরিচিত Hwasong-20 নামের একটি নতুন সলিড-ফুয়েল ICBM (ব্যালিস্টিক মিসাইল) উন্মোচন করেছে।
এই তিন-ধাপবিশিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্রটি দাবি করা হচ্ছে যে, এটি পুরো যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড পর্যন্ত (প্রায় ১৫,০০০ কিলোমিটার) পৌঁছাতে সক্ষম এবং এতে একাধিক পারমাণবিক ওয়ারহেড (MIRV) বহন করা সম্ভব।
‘হোয়াসং–২০’ তে ব্যবহৃত হয়েছে নতুন ধরনের উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন সলিড-ফুয়েল ইঞ্জিন, যার থ্রাস্ট ক্ষমতা প্রায় ১,৯৭০ কিলোনিউটন, যা পূর্বের ‘হোয়াসং–১৮’-এর তুলনায় ৪০% বেশি শক্তিশালী।
সূত্র: KCNA
ট্রাম্পকে তেল-সোনার লোভনীয় প্রস্তাব, ফিরিয়ে দিল ওয়াশিংটন
মার্কিন হস্তক্ষেপ রুখতে ট্রাম্পকে তেল-সোনার লোভনীয় প্রস্তাব, ফিরিয়ে দিল ওয়াশিংটন।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ বন্ধের বিনিময়ে ট্রাম্প প্রশাসনকে বেশ কিছু প্রস্তাব দেন। এর মধ্যে ছিল—
১. ভেনেজুয়েলার তেল ও সোনার সব প্রকল্প মার্কিন কোম্পানির জন্য উন্মুক্ত করা।
২. মার্কিন প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ চুক্তি প্রদান।
৩.তেলের রপ্তানি চীন থেকে সরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো।
৪. রাশিয়া, চীন ও ইরানের সঙ্গে জ্বালানি ও খনন চুক্তি বাতিল করা।
তবে NYT-এর দাবি, ট্রাম্প প্রশাসন এসব প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে।
এদিকে ভেনেজুয়েলা জানান,ওয়াশিংটনের সম্ভাব্য “সশস্ত্র হামলার প্রস্তুতি” নিয়ে আলোচনার জন্য তারা জাতিসংঘে জরুরি বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে।
ট্রাম্প নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে বলেন
ট্রাম্প নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে বলেন:
“যিনি আসলে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, তিনি আমাকে ফোন করে বলেছিলেন যে তিনি এটি আমার সম্মানে গ্রহণ করছেন।
আমি তখন তাকে বলিনি, ‘এটা আমাকে দিন।’
হয়তো তিনিও এমনটাই করতে চেয়েছিলেন। (মানে ট্রাম্পকে দিয়ে দিতে)
আমি তাকে (ভেনেজুয়েলার নেত্রীকে) দীর্ঘদিন ধরে সহায়তা করে আসছি — ভেনেজুয়েলায় তাদের অনেক সহায়তা প্রয়োজন।
আপনি এটাও বলতে পারেন যে এটি ২০২৪ সালের জন্যই দেওয়া হয়েছে, আর তখন তো আমি নির্বাচনে প্রার্থী ছিলাম।
যদিও আমি খুশি যে, আমি লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন রক্ষা করেছি।”
নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত বিশিষ্ট রসায়নবিদ ওমর ইয়াঘি।
নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত বিশিষ্ট রসায়নবিদ ওমর ইয়াঘি।
এবারের রসায়নে যে তিনজন ব্যক্তি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তাদের মধ্যে একজন হলেন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত বিশিষ্ট রসায়নবিদ ওমর ইয়াঘি।
যিনি গাজার আল-মাসমিয়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং শৈশবে জর্ডানের একটি শরণার্থী শিবিরে বড় হয়েছেন।
ওমর ইয়াঘি বর্তমানে একজন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক এবং রসায়ন গবেষক।
তিনি জর্ডান, যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব—এই তিন দেশের পাসপোর্টধারী।
তার বৈপ্লবিক গবেষণা মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক (MOFs) এবং কোভ্যালেন্ট অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক (COFs) নিয়ে — যা পানি সংগ্রহ, শক্তি সংরক্ষণ এবং পরিবেশবান্ধব রাসায়নিক ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা এই অর্জনকে শুধু রসায়নের জন্য নয়, বরং শরণার্থী ও ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য এক অনুপ্রেরণার প্রতীক হিসেবে দেখছেন।

